মেয়েদের গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাসের সতর্কতা


গর্ভাবস্থায় কষ্ট হলেও সন্তানের ভালোর জন্য সাবধানে সবকিছু মেনে চলার চেষ্টা করতে হয়। সে জন্য নিয়মিত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হয়। সব সময় বিস্রামে থাকুন, কখনও কোন কিছুতে উত্তেজিত হবেন না, এ জন্য উত্তেজিত হতে হয়ে এমন কিছু করবেন না এবং ভয় পাবেন না। সবচেয়ে  বড় কথা হল সব সময় নিজের খেয়াল রাখতে হবে। যখন আপনি ভালো থাকবেন তখন আপনার গর্ভের সন্তান ও ভালো থাকবে।
যদিও অনেকটাই বোঝা যায় না, তারপরেও গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস যে কোন গর্ভবতীদের  কাছে ভীষণ জাদুকরি বলেই মনে হয়। নতুন প্রাণের আগমনের খবর উদ্বেলিত করে তোলে নতুন মায়ের জীবন। এটি শুধু মায়েদের জন্য  নয়, এটি সন্তানের জন্যও এই সময়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়। এজন্য  দরকার হয় সচেতনতার। যেহেতু সন্তানের একদম প্রথম পর্যায় এটি, এ জন্য মাকেও খুব সতর্কবস্থায় থাকতে হবে। কিন্তু বললেই তো আর সতর্ক হওয়া যায়না, কারন অনেক ক্ষেত্রেই মায়েরা বুঝতে পারেন না যে কি হচ্ছে বা কি হতে পারে। অনেকেরই তার নিজের শরীরের অবস্থা প্রতি কেয়াল থাকেনা, এবং এটাও জানা থাকেনা যে  কিসে সন্তানের ভাল হবে বা কোনটাতে সন্তানের খারাপ হবে। এজন্যই সন্তান গর্ভধারণের এই প্রথম পর্যায়গুলো অনেকের জন্যই হতে পারে ক্ষতিকারক, যতি তখন সঠিক যত্ন না নেওয়া হয়। সন্তান গর্ভধারণের প্রথম পর্যায়ের মায়েদের শারীরিক অবস্থা্র সবকিছু নিয়েই আমাদের এই আয়োজন। প্রথমেই জেনে নিন আপনি প্রেগন্যান্ট কি না। আজকাল লোকাল ফার্মেসীগুলো দোকানে প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট পাওয়া যায়। প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট দিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। এসব প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট দিয়ে যে পরীক্ষা কর হয় তার মধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশ পরীক্ষাই সঠিক হয় বলে ধরা হয়। তবে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত হতে চাইলে ডাক্তারের পরামর্শে আলট্রাসাউন্ড টেস্ট করেও দেখা যায়। নিশ্চিত তো হওয়া গেল, এখন জানা যাক পরবর্তী পদক্ষেপগুলো সম্পর্কে।

   
Share:

Related Posts:

0 comments:

Post a Comment